কবিতা : শূণ্যতা (২)
কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি
ভালোবাসি কবিতা, ভালোবাসি কবি।। আমার মত আরও যারা কবিতা প্রেমিক আছেন, তাদের জন্যই এই ব্লগ।কালের খেঁয়ায় বহু কবি এবং কবিতা আমরা হারিয়ে ফেলছি।তাই যতটুকু পারাযায় সাধ্য অনুযায়ী সেইসব রত্নগর্ভা কবিদের সংক্ষিপ্ত জীবনি এবং তাদের সেইসব মহামুল্যবান কবিতা সংগ্রহ করে আপনাদের মাঝে উপস্হাপন করাই এই ব্লগের উদ্দেশ্য।সেইসাথে বর্তমান সময়ের প্রতিভাবান লেখকদের প্রতিও অনুরোধ থাকবে আমাদের এই ব্লগে তাঁদের লেখা গুলো প্রকাশ করার জন্য। -ধন্যবাদ
কবিতা : শূণ্যতা (২)
কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি
কবিতা : শূণ্যতা
কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১)
জন্ম বরিশালে, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮০ সালে বিএ অনার্স (বাংলা) ও ১৯৮৩ সালে এম এ পাস করেন। ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্য—উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়। এ কাব্য দুটি তাঁকে কবিখ্যাতি এনে দেয়। তিনি যে তাঁর কালের সংস্কৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন, উক্ত কাব্য দুটিতে তার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। তাঁর কবিতায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। ফলে সত্তরের দশকেই তিনি একজন শক্তিমান কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সমকালের সমাজ ও রাজনীতির অস্থিরতায় সৃষ্ট হতাশা, সঙ্কীর্ণতা এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সংঘাতময় জীবনের প্রতিচ্ছবি তাঁর কবিতায় লক্ষণীয়।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ইতিহাস-সচেতন কবি। ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতায় তিনি যখন বলেন: ‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,/আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,/ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে—/এ—দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?’ তখন তাঁর কবিস্বরূপ আপনাতেই ধরা পড়ে। তাঁর এ সংগ্রামী চেতনা পাঠককে বর্তমানের নৈরাশ্য থেকে আশান্বিত করে তোলে ভবিষ্যতের দিকে। তাঁর মানুষের মানচিত্র (১৯৮৪) কাব্যগ্রন্থে লক্ষ করা যায় এরকম আকাঙ্ক্ষার সৃদুঢ় অভিব্যক্তি। যেমন—‘তোমার অরণ্যে আছে অপরূপ স্বপ্ন-অাঁকা চিতল হরিণ।/তন্দ্রাতুল হড়িয়াল-ডাকা ফাল্গুনের রাত। শাদা খরগোশ।/তোমার কিনারে আছে পাললিক নোনাজল, জলের পরশ,/সরল শিশিরে ধোয়া সোনালিম শস্যময় হেমন্তের দিন।’
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ছোবল (১৯৮৬), গল্প (১৯৮৭), দিয়েছিলে সকল আকাশ (১৯৮৮), মৌলিক মুখোশ (১৯৯০) ও একগ্লাস অন্ধকার (১৯৯২) উলেখযোগ্য। তিনি প্রধানত কবি হলেও কাব্যচর্চার পাশাপাশি সঙ্গীত, নাটক, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ রচনাতেও সমান উৎসাহী ছিলেন। তাঁর সাহিত্য-সাধনা ছিল দেশ, মানুষ ও মনুষ্যত্বের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ।
সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ লাভ করেন। ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
Rudra Muhammad Shahidullah (1958-1991)
Born in Barisal on 18 October 1956. His real name is Sheikh Mohammad Shahidullah; He took the name 'Rudra Muhammad Shahidullah' himself. He passed BA Honors (Bangla) from Dhaka University in 1970 and MA in 1983. During his student life, his two poems — Upadrut Upakul (1969) and Fire Chai Swarnagram (1971) were published. These two poems brought him poetic fame. The fact that he has deeply observed the culture of his time can be seen in the two poems. His poems reflect the desire to establish a non-discriminatory society. As a result, he became known as a powerful poet in the seventies. His poems reflect the frustration, narrowness and conflict of power and conflicted life created by the instability of contemporary society and politics. Rudra Muhammad Shahidullah is a history-conscious poet. When he says in the poem 'The smell of corpses in the air': 'I still smell corpses in the air, / I still see the naked dance of death on the ground, / I hear the screams of rape, I am still in my sleep— / ? 'Then his poetic form was caught automatically. His fighting spirit makes the reader hopeful from the present despair towards the future. Such a strong expression of such a desire can be noticed in his book Manchir Manchir (1974). For example — ‘You have a wonderful dream-painted chital deer in your forest./Tandratul Hariyal-Daka Falgun's night. White rabbit./You have sedimentary non-water on your shore, water bubble, / Sonalim grain-washed autumn day washed in simple dew. '
Among the other books of poetry by Rudra Muhammad Shahidullah are Chobal (1986), Galpa (1987), Diyechile Sakal Akash (1988), Moulik Mukhosh (1990) and Ekglass Andhakar (1992). Although he was primarily a poet, he was equally enthusiastic about poetry as well as music, drama, short stories and essays. His literary pursuits were committed to the country, the people and humanity.
In 1980, he received the Munir Chowdhury Memorial Award in recognition of his literary achievements. He died on 21 June 1991 in Dhaka.
কবি: রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
"খুব কাছে এসো না "
-রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
খুব কাছে এসো না কোন দিন
যতটা কাছে এলে কাছে আসা বলে লোকে
এ চোখ থেকে ঐ চোখের কাছে থাকা
এক পা বাড়ানো থেকে অন্য পায়ের সাথে চলা
কিংবা ধরো রেল লাইনের পাশাপাশি শুয়ে
অবিরাম বয়ে চলা ।
যে কাছাকাছির মাঝে বিন্দু খানেক দূরত্বও আছে
মেঘের মেয়ে অতো কাছে এসোনা কোন দিন
দিব্যি দিলাম মেঘের বাড়ীর, আকাশ কিংবা আলোর সারির।
তার চেয়ে বরং দূরেই থেকো
যেমন দূরে থাকে ছোঁয়া, থেকে স্পর্শ
রোদ্দুরের বু্ক, থেকে উত্তাপ
শীতলতা, থেকে উষ্ণতা
প্রেমে্র, খুব গভীর ম্যাপে যেমন লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা
তেমন দূরেত্বেই থেকে যেও-
এক ইঞ্চিতেও কভু বলতে পারবে না কেউ
কতটা কাছা কাছি এসেছিলে বলে দূরত্বের পরিমাপ দিতে পারেনি পৃথিবী।
কাজী নজরুল ইসলাম (মে ২৪, ১৮৯৯ – আগস্ট ২৯, ১৯৭৬) অগ্রণী বাঙালি কবি, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক হিসেবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার।
Rabindranath Tagore was born on 7 May 1861 in a wealthy family in Calcutta. He was a leading Bengali poet, novelist, composer, playwright, illustrator, short story writer, essayist, vocalist and philosopher. He is considered to be the greatest writer of Bengali language. In 1913 he was awarded the Nobel Prize in Literature for his book Gitanjali. As the first Nobel laureate outside Europe, he gained worldwide fame. After a long illness, Rabindranath Tagore breathed his last on August 8, 1941 at Jorasanko's residence. But he was creative until seven days before his death.
কবিতা : শূণ্যতা (২) কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি ঘুমের ঘরে পৃথিবী আমার কাছে এসেছিল, অবাক দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে ছিলাম! জিজ্ঞেস করলো, তুমি কি চাও? বল...