Wednesday, March 3, 2021

কবিতা : শূণ্যতা (২) // কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি

 কবিতা : শূণ্যতা (২)

কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি


ঘুমের ঘরে পৃথিবী
আমার কাছে এসেছিল,
অবাক দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে ছিলাম!
জিজ্ঞেস করলো, তুমি কি চাও?
বলেছিলাম ঝর্ণা।
পৃথিবী অট্ট হেসে...ঝর্ণা!
সে তো অপেক্ষায় আছে-
তোমার বুকের উপর দিয়ে বয়ে যাবে বলে।
আবার জিজ্ঞেস করলো, তুমি কি চাও?
আমি বলেছিলাম নদী।
পৃথিবী মৃদু হেসে... বোকা ছেলে- নদী!
সে তো ঝর্ণা হতেই সৃষ্টি।
পুনরায় জিজ্ঞেস করল, ভেবে বল, তুমি কি চাও?
বলেছিলাম ... ভালো মনের অধিকারী যেখানে শান্তির বসবাস।
পৃথিবী দীর্ঘ শ্বাস ফেলে... ভালো মন!
সে তো তোমার কাছেই আছে,
শুধু ভুলে যাও- যা ঘটেছে পিছনে।
উক্তিটি শেষ করতে না করতেই পৃথিবী উধাও,
আর বলেনি- তুমি কি চাও।
আমার আমি আসলেই বোকা,নির্বোধ,
পৃথিবীকে বলা হয়ে উঠেনি, আমার অপূর্ণতার কথাটি।
যা চাই অধিক আগ্রহে আমরা,
কেন থাকে সেটি একেবারে অধরা?
যা চাইনা, কেন তা পাইনা নিজের করে সহসা।
তুমি কি আবার আসবে?
দাঁড়াবে কি আমার পাশে?
ঘুমের ঘরে মধ্য রজনীতে!!
কাঙ্খিত কথাটির উত্তর দিতে?


কবিতা : শূণ্যতা// কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি


 কবিতা : শূণ্যতা

কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি


আমি এক অন্য জীব সবুজ অরন্যে,
বিধাতার সৃষ্ট বিরাট শূন্যে,
রং-তামাশার এই মহাকালে।
অদৃশ্যমান মহা শিক্ষক ছাড়া, আমি ছাড়া,
আমার কেউ নেই।
উধাও হয়েছে আমার-
অবসর সময়ের বিনোদন,
সকল কামনা, বাসনা,
ভালবাসার অকৃত্রিম মুর্তিটি।
উধাও হয়েছে আমার ঘুমের ঘরের-
বাজিমাৎ স্বপ্ন গুলি,
পরিকল্পনার রুপ রেখা গুলি,
মনের মনিকৌঠার সব, সব ভিত্তি প্রস্তর গুলি।
আমি একা, বড্ড একা,
ঘটেছে সকল তৃষ্ণার অবসান,
তৃষ্ণার্ত্ব হৃদয়ের হাহাকার।
পালিয়েছে মন মাঝি বৈটা রেখে, না ফেরার দেশে, চিরতরে।
অদৃশ্যমান মহা শিক্ষক ছাড়া, আমি ছাড়া,
আমার কেউ নেই।


Sunday, February 28, 2021

কবিতা: বাতাসে লাশের গন্ধ // কবি: রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ


বাতাসে লাশের গন্ধ
রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই
আজো আমি মাটিতে মৃত্যূর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে…
এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দু:স্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময় ?
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।
এই রক্তমাখা মটির ললাট ছুঁয়ে একদিন যারা বুক বেঁধেছিলো।
জীর্ণ জীবনের পুঁজে তারা খুঁজে নেয় নিষিদ্ধ আধাঁর,
আজ তারা আলোহীন খাঁচা ভালোবেসে জেগে থাকে রাত্রির গুহায়।
এ যেন নষ্ট জন্মের লজ্জায় আরষ্ট কুমারী জননী,
স্বাধীনতা – একি হবে নষ্ট জন্ম ?
একি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল ?

জাতির পতাকা খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন।

বাতাশে লাশের গন্ধ
নিয়ন আলোয় তবু নর্তকীর দেহে দুলে মাংসের তুফান।
মাটিতে রক্তের দাগ -
চালের গুদামে তবু জমা হয় অনাহারী মানুষের হাড়
এ চোখে ঘুম আসেনা। সারারাত আমার ঘুম আসেনা-
তন্দ্রার ভেতরে আমি শুনি ধর্ষিতার করুণ চিৎকার,
নদীতে পানার মতো ভেসে থাকা মানুষের পচা লাশ
মুন্ডহীন বালিকার কুকুরে খাওয়া বিভৎস্য শরীর
ভেসে ওঠে চোখের ভেতরে। আমি ঘুমুতে পারিনা, আমি
ঘুমুতে পারিনা…
রক্তের কাফনে মোড়া – কুকুরে খেয়েছে যারে, শকুনে খেয়েছে যারে
সে আমার ভাই, সে আমার মা, সে আমার প্রিয়তম পিতা।
স্বাধীনতা, সে আমার – স্বজন, হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন -
স্বাধীনতা – আমার প্রিয় মানুষের রক্তে কেনা অমূল্য ফসল।
ধর্ষিতা বোনের শাড়ী ওই আমার রক্তাক্ত জাতির পতাকা।


সংকলিত (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)





Introduction to the poet (কবি পরিচিতি): Rudra Muhammad Shahidullah (রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ)

 


Introduction to the poet, কবি পরিচিতি, Rudra Mohammad Shahidullah, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ


রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১) 

জন্ম বরিশালে, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮০ সালে বিএ অনার্স (বাংলা)  ও ১৯৮৩ সালে এম এ পাস করেন। ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্য—উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়। এ কাব্য দুটি তাঁকে কবিখ্যাতি এনে দেয়। তিনি যে তাঁর কালের সংস্কৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন, উক্ত কাব্য দুটিতে তার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। তাঁর কবিতায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। ফলে সত্তরের দশকেই তিনি একজন শক্তিমান কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সমকালের সমাজ ও রাজনীতির অস্থিরতায় সৃষ্ট হতাশা, সঙ্কীর্ণতা এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সংঘাতময় জীবনের প্রতিচ্ছবি তাঁর কবিতায় লক্ষণীয়।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ইতিহাস-সচেতন কবি। ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতায় তিনি যখন বলেন: ‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,/আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,/ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে—/এ—দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?’ তখন তাঁর কবিস্বরূপ আপনাতেই ধরা পড়ে। তাঁর এ সংগ্রামী চেতনা পাঠককে বর্তমানের নৈরাশ্য থেকে আশান্বিত করে তোলে ভবিষ্যতের দিকে। তাঁর মানুষের মানচিত্র (১৯৮৪) কাব্যগ্রন্থে লক্ষ করা যায় এরকম আকাঙ্ক্ষার সৃদুঢ় অভিব্যক্তি। যেমন—‘তোমার অরণ্যে আছে অপরূপ স্বপ্ন-অাঁকা চিতল হরিণ।/তন্দ্রাতুল হড়িয়াল-ডাকা ফাল্গুনের রাত। শাদা খরগোশ।/তোমার কিনারে আছে পাললিক নোনাজল, জলের পরশ,/সরল শিশিরে ধোয়া সোনালিম শস্যময় হেমন্তের দিন।’

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ছোবল (১৯৮৬), গল্প (১৯৮৭), দিয়েছিলে সকল আকাশ (১৯৮৮), মৌলিক মুখোশ (১৯৯০) ও একগ্লাস অন্ধকার (১৯৯২) উলে­খযোগ্য। তিনি প্রধানত কবি হলেও কাব্যচর্চার পাশাপাশি সঙ্গীত, নাটক, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ রচনাতেও সমান উৎসাহী ছিলেন। তাঁর সাহিত্য-সাধনা ছিল দেশ, মানুষ ও মনুষ্যত্বের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ।

সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ লাভ করেন। ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।



Rudra Muhammad Shahidullah (1958-1991)

Born in Barisal on 18 October 1956. His real name is Sheikh Mohammad Shahidullah; He took the name 'Rudra Muhammad Shahidullah' himself. He passed BA Honors (Bangla) from Dhaka University in 1970 and MA in 1983. During his student life, his two poems — Upadrut Upakul (1969) and Fire Chai Swarnagram (1971) were published. These two poems brought him poetic fame. The fact that he has deeply observed the culture of his time can be seen in the two poems. His poems reflect the desire to establish a non-discriminatory society. As a result, he became known as a powerful poet in the seventies. His poems reflect the frustration, narrowness and conflict of power and conflicted life created by the instability of contemporary society and politics. Rudra Muhammad Shahidullah is a history-conscious poet. When he says in the poem 'The smell of corpses in the air': 'I still smell corpses in the air, / I still see the naked dance of death on the ground, / I hear the screams of rape, I am still in my sleep— / ? 'Then his poetic form was caught automatically. His fighting spirit makes the reader hopeful from the present despair towards the future. Such a strong expression of such a desire can be noticed in his book Manchir Manchir (1974). For example — ‘You have a wonderful dream-painted chital deer in your forest./Tandratul Hariyal-Daka Falgun's night. White rabbit./You have sedimentary non-water on your shore, water bubble, / Sonalim grain-washed autumn day washed in simple dew. '


Among the other books of poetry by Rudra Muhammad Shahidullah are Chobal (1986), Galpa (1987), Diyechile Sakal Akash (1988), Moulik Mukhosh (1990) and Ekglass Andhakar (1992). Although he was primarily a poet, he was equally enthusiastic about poetry as well as music, drama, short stories and essays. His literary pursuits were committed to the country, the people and humanity.


In 1980, he received the Munir Chowdhury Memorial Award in recognition of his literary achievements. He died on 21 June 1991 in Dhaka.

Saturday, February 27, 2021

কবিতা: "চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়" // কবি: রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

বাংলা কবিতা, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়, Bengali poetry, Rudra Muhammad Shahidullah, leaving does not mean leaving, chole jawa mane prosthan noy



 চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়

কবি: রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ





চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয়
চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী
চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে
আমার না-থাকা জুড়ে।
জানি চরম সত্যের কাছে নত হতে হয় সবাইকে-
জীবন সুন্দর
আকাশ-বাতাস পাহাড়-সমুদ্র
সবুজ বনানী ঘেরা প্রকৃতি সুন্দর
আর সবচেয়ে সুন্দর এই বেঁচে থাকা
তবুও কি আজীবন বেঁচে থাকা যায়!
বিদায়ের সেহনাই বাজে
নিয়ে যাবার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে
সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে
এই যে বেঁচে ছিলাম
দীর্ঘশ্বাস নিয়ে যেতে হয়
সবাইকে
অজানা গন্তব্যে
হঠাৎ ডেকে ওঠে নাম না জানা পাখি
অজান্তেই চমকে ওঠি
জীবন, ফুরালো নাকি!
এমনি করে সবাই যাবে, যেতে হবে…

"খুব কাছে এসো না " -রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

বাংলা কবিতা, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, খুব কাছে এসো না, khub kase eshona, Bengali Poetry, Rudra Muhammad Shahidullah







"খুব কাছে এসো না " 

-রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

খুব কাছে এসো না কোন দিন
যতটা কাছে এলে কাছে আসা বলে লোকে
এ চোখ থেকে ঐ চোখের কাছে থাকা
এক পা বাড়ানো থেকে অন্য পায়ের সাথে চলা
কিংবা ধরো রেল লাইনের পাশাপাশি শুয়ে
অবিরাম বয়ে চলা ।
যে কাছাকাছির মাঝে বিন্দু খানেক দূরত্বও আছে
মেঘের মেয়ে অতো কাছে এসোনা কোন দিন
দিব্যি দিলাম মেঘের বাড়ীর, আকাশ কিংবা আলোর সারির।

তার চেয়ে বরং দূরেই থেকো
যেমন দূরে থাকে ছোঁয়া, থেকে স্পর্শ
রোদ্দুরের বু্‌ক, থেকে উত্তাপ
শীতলতা, থেকে উষ্ণতা
প্রেমে্‌র, খুব গভীর ম্যাপে যেমন লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা
তেমন দূরেত্বেই থেকে যেও-
এক ইঞ্চিতেও কভু বলতে পারবে না কেউ

কতটা কাছা কাছি এসেছিলে বলে দূরত্বের পরিমাপ দিতে পারেনি পৃথিবী।                                                                  

Introduction to the poet (কবি পরিচিতি): Kazi Nazrul Islam (কাজী নজরুল ইসলাম)

Kazi Nazrul Islam (কাজী নজরুল ইসলাম)
 Kazi Nazrul Islam (May 24, 1899 - August 29, 1986), A pioneering Bengali poet, one of the most popular Bengali poets of the twentieth century, musician, composer, philosopher, who is best known for his pioneering role in Bengali poetry as well as for his progressive impetus. He is one of the Bengali language writers, patriots and the national poet of Bangladesh. His poems and songs are equally admired in West Bengal and Bangladesh. He has been called a rebellious poet because of his rebellious attitude in his poetry. The main theme of his poems was the protest against human oppression and social injustice and exploitation. The dignity and importance of Kazi Nazrul Islam in the twentieth century Bengali mind is immense. As a poet, writer, musician, journalist, editor, politician and soldier, Nazrul was always vocal against injustice and injustice. 



কাজী নজরুল ইসলাম (মে ২৪, ১৮৯৯ – আগস্ট ২৯, ১৯৭৬) অগ্রণী বাঙালি কবি, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক হিসেবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার।

Introduction to the poet (কবি পরিচিতি): Rabindranath Tagore (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

Rabindranath Tagore (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতার এক ধনাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিঁনি ছিলেন অগ্রণী বাঙ্গালী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, কন্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ্য সাহিত্যিক মনে করা হয়। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। ইউরোপের বাহিরের প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসাবে তিনি বিশ্বে ব্যপক খ্যাতি লাভ করেন। দীর্ঘ রোগভোগের পর ১৯৪১ সালের ৭ই অগাস্ট জোড়াসাঁকোর বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তবে মৃত্যুর সাত দিন আগে পর্যন্ত তিঁনি সৃষ্টিশীল ছিলেন।


Rabindranath Tagore was born on 7 May 1861 in a wealthy family in Calcutta. He was a leading Bengali poet, novelist, composer, playwright, illustrator, short story writer, essayist, vocalist and philosopher. He is considered to be the greatest writer of Bengali language. In 1913 he was awarded the Nobel Prize in Literature for his book Gitanjali. As the first Nobel laureate outside Europe, he gained worldwide fame. After a long illness, Rabindranath Tagore breathed his last on August 8, 1941 at Jorasanko's residence. But he was creative until seven days before his death.

কবিতা : শূণ্যতা (২) // কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি

 কবিতা : শূণ্যতা (২) কবি : ফাহিম মাহমুদ আদি ঘুমের ঘরে পৃথিবী আমার কাছে এসেছিল, অবাক দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে ছিলাম! জিজ্ঞেস করলো, তুমি কি চাও? বল...